আজও আলোর মুখ দেখেনি গলাচিপার একমাত্র মা ও শিশু হাসপাতাল | আপন নিউজ

বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:০৪ অপরাহ্ন

প্রধান সংবাদ
ডাকসুর মতো ১২ তারিখ ট্রাকের বিজয় ইতিহাস সৃষ্টি করবে- নুরুল হক নুর আগামীতে বুক ফুলিয়ে চলতে চাই, কোন দু’র্নী’তি অ’নি’য়ম সহ্য করা হবে না-ডা: জহির উদ্দিন কলাপাড়া-কুয়াকাটা মহাসড়কে বেপরোয়া বাসের চা’পা’য় মানসিক ভারসাম্যহীন নারী নি’হ’ত কলাপাড়ায় ভাড়া বাসায় দুর্ধ’র্ষ চু’রি, নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লু’ট ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষে কলাপাড়ায় অভিভাবক সমাবেশ তালতলীতে গণভোটের পোস্টার ছিড়ে ফেলার অভিযোগ হাজারো মানুষের অশ্রুসিক্ত নয়নে চির বিদায় নিলেন মহিপুরের মন্নান হাওলাদার পায়রা বন্দর স্টিভেডরিং হ্যান্ডেলিং শ্রমিক ইউনিয়ন কার্যনির্বাহী কমিটির অভিষেক পরিচিতি সভা আমতলীতে ছয় শতাধিক মসজিদে এক লাখ ২০ হাজার মানুষের মাঝে গণভোটের প্রচারনা আমতলীতে এতিমদের মাঝে কম্বল বিতরন
আজও আলোর মুখ দেখেনি গলাচিপার একমাত্র মা ও শিশু হাসপাতাল

আজও আলোর মুখ দেখেনি গলাচিপার একমাত্র মা ও শিশু হাসপাতাল

সঞ্জিব দাস, গলাচিপাঃ

হাসপাতালের ভবন, প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র, প্রচুর রোগী, চিকিৎসকদের জন্য আবাসিক ভবনও আছে। নেই শুধু চিকিৎসক ও চিকিৎসা সরঞ্জাম। এ অবস্থা বিরাজ করছে পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার পানপট্টি ইউনিয়নে নির্মিত একমাত্র মা ও শিশু হাসপাতালে। একজন পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক, একজন পাহারাদার ও ঝাড়–দার দিয়ে চলছে এ হাসপাতালের কার্যক্রম। অথচ ১০ শয্যার এ হাসপাতালটির অবকাঠামো নির্মাণ শেষ হয়েছে দুই বছর আগে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এর মধ্যেও নিয়োগ দেয়নি প্রয়োজনীয় সংখ্যক চিকিৎসক, সেবিকা, টেকনিশিয়ানসহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী ও চিকিৎসাসামগ্রী। হাসপাতালটিতে বর্তমানে কর্মরত আছেন পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শিকা ফেরদৌসী বেগম। ফেরদৌসী বেগম সাংবাদিক সঞ্জিব দাসকে জানান, এখানে লোকজন কম থাকায় অনেকটা নিরাপত্তাহনীতায় ভোগেন। অবশ্য একজন নৈশপ্রহরী ও সুইপার এখানে কর্মরত রয়েছেন। পানপট্টি ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম এ প্রতিবেদককে জানান, দুই বছর আগে ভবনসহ সব অবকাঠামো নির্মাণ হলেও নেই চিকিৎসক, চিকিৎসা সরঞ্জাম, প্রয়োজনীয় সংখ্যক জনবল। চিকিৎসাসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকার মা ও শিশু হাসপাতালটি নির্মাণ করেছে। কিন্তু সরকারের সে উদ্দেশ্য ভেস্তে যাচ্ছে। গরিব সাধারণ মানুষ বি ত হচ্ছে চিকিৎসাসেবা থেকে। এ চিকিৎসাসেবা সুবিধা, বিশেষ করে সিজারিয়ানের ব্যবস্থা গলাচিপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেও নেই। যেতে হয় জেলা সদর পটুয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে, যা সাধারণ গরিব মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়। গলাচিপা উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবু সুফিয়ানের সাথে কথা হলে তিনি সাংবাদিককে জানান, সরকারি বিধি অনুযায়ী মা ও শিশু কল্যাণকেন্দ্রে একজন মেডিক্যাল অফিসার, টেকনিশিয়ান, সেবিকা নিয়োগ দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। এই নিয়োগ দেওয়ার দায়িত্ব স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য মহাপরিচালকের দপ্তরের। কী কারণে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে না, তা আমার জানা নেই। তিনি আরও জানান, ওই মা ও শিশু হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি এখনো সরবরাহ করা হয়নি।

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved 2022 © aponnewsbd.com

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: JPHostBD
error: সাইটের কোন তথ্য কপি করা নিষেধ!!